বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাটিকাটার রাস্তা উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেন,  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আল মাসুদ বগুড়া জেলা অ্যাড.বার সমিতির নির্বাচনে মতিন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বাছেদ নির্বাচিত ঝিনাইগাতীতে বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত  তথ্য গোপন করে বাংলাদেশ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অস্বচ্ছ শিক্ষার্থীর পাশে ছাত্রলীগ নেতা জাফর প্রতিবন্ধীর অটো রিক্সা চুরি বগুড়ায় খুন, অস্ত্র ও মাদকসহ একাধিক মামলার আসামী শ্রী জুয়েল চন্দ্র ওরফে হাড়ী জুয়েল গ্রেফতার বগুড়ায় নবান্ন উৎসব উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মহাস্থানে মাছের মেলা ঝিনাইগাতীতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উদ্ধোধন বগুড়া জিয়া মেডিকেল থেকে চুরি যাওয়া নবজাতক গাজীপুর থেকে উদ্ধার

চোখ ওঠা রোগ ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৫২ ভিউ টাইম

নিউজ ডেস্ক : শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই আক্রান্ত হচ্ছে চোখ ওঠা বা কনজাঙ্কটিভাইটিজ বা কনজাঙ্কটিভা রোগটি। ভাইরাসের কারণে রোগটি হয়ে থাকে। রোগ টি হলে কারো কারো কোনো চিকিৎসা ছাড়া এমনিতেই ভালো হয়ে যায়।

সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এই তিনমাস এই রোগটি বেশি হয়ে থাকে। চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত হলে চোখ জ্বালাপোড়া করা, চোখে চুলকানি, চোখ লাল বা গোলাপি হয়ে যায়। অনেক সময় খচখচে ভাব হতে পারে, মনে হতে পারে চোখে কাটা ফুটেছে। আবার চোখ থেকে পানি পড়ে, বারবার সাদা ময়লা আসা, কিছু ক্ষেত্রে চোখে তীব্র ও মাঝারি ব্যাথা অনুভূত হয়।

চোখ ওঠা রোগটি এতোটাই ছোঁয়াচে যে, চোখ ওঠা রোগীর সংস্পর্শে না এসে কাছাকাছি থাকলেও চোখ ওঠতে পারে। কারণ ভাইরাসটি বাতাসে ছড়াতে পারে। রোগীর ব্যবহার্য রুমাল, তোয়ালে, বালিশ, টিস্যু অন্যরা ব্যবহার করলে তারাও আক্রান্ত হতে পারেন। অনেক সময় দেখা যায়, কাছাকাছি না থাকলেও অন্যদের হয় আবার খুবই কাছাকাছি থাকার পরও চোখ ওঠে না।

বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ আব্দুল কুদ্দুস জানিয়েছেন, বর্তমানে যে ভাইরাসে চোখ ওঠা রোগটি হচ্ছে এই ভাইরাসটি চোখের কালো (কনজাঙ্কটিভা) অংশটিকে বেশি আক্রান্ত করে। তবে মাঝে মধ্যে চোখের কর্নিয়াকেও আক্রান্ত করতে পারে। এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে চোখের বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত। আমি বলবো, মেশিনে পরীক্ষা করে চোখের চিকিৎসা করালেই যথাযথ চিকিৎসা হয়। চোখের ডাক্তার রোগীকে অ্যান্টি হিস্টামিন দিতে পারেন। দিতে পারেন চোখের অ্যান্টিবায়োটিক।

চিকিৎসক নর্মাল স্যালাইন দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে বলতে পারেন। নরসল নামে চোখের ড্রপ পাওয়া যায় ওষুধের দোকানে। রোগটি কর্নিয়াকে আক্রান্ত করলে যথাসময়ে যথাযথ চিকিৎসা করা দরকার। না হলে কর্নিয়াতে দাগ পড়ে যেতে পারে। ফলে রোগী পরে স্থায়ীভাবে ঝাপসা দেখতে পারেন।

অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস আরো বলেন, চোখ ওঠা রোগীর চোখের পানি পাতলা টিস্যু দিয়ে মুছে নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে। চোখের পানিতে প্রচুর পরিমাণে ভাইরাস থাকে। এই পানিটি খুব সাবধানে মুছে টিস্যুই হোক বা অন্য কিছু হোক যত্রতত্র ফেলা যাবে না। চোখ ওঠা রোগীরা গরম সেঁক দিলে আরাম বোধ করবেন। এ ক্ষেত্রে ধূলাবালি থেকে দূরে থাকতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়াই উত্তম। প্রয়োজনের চোখে কালো রঙের সানগ্লাস বা চশমা ব্যবহার করতে হবে।

এবিষয়ে ওষুধ প্রশাসনের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ‘বাজারে চোখের ড্রপের কোনো সংকট নেই। তবে অপ্রচলিত হওয়ায় সাধারণত পাড়া মহল্লায় এই ওষুধগুলো ফার্মেসিতে পাওয়া যায়না। এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল, বিশেষ করে চোখের হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণ ড্রপ রয়েছে। সেখান থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর চোখে ড্রপ ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

দয়াকরে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরী আরো খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

Developed By VorerSokal.Com
newspapar2580417888