শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুপচাঁচিয়ায় ভাগ্নিকে ধ র্ষণের অ ভিযোগে খালু গ্রে ফতার উপজেলা নির্বাচন ২০২৪ নোয়াখালী,বেগমগঞ্জ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও শহীদ কামারুজ্জামানের সমাধীতে আরসিআরইউ’র শ্রদ্ধা বগুড়ার সেরা ফটোগ্রাফার হিসেবে আইফোন জিতলেন আরিফ শেখ দুপচাঁচিয়ায় জোহাল মাটাইয়ে ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থীদের ভাবনায় গৌরবদীপ্ত বিজয় দিবস বর্ণাঢ্য আয়োজনে বগুড়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন ফাঁপোর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মেহেদী হাসান বগুড়ায় টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের ক্যান্সার সেন্টার পরিদর্শন দুপচাঁচিয়ায় বিউটি পার্লারে অভিযান জরিমানা

রাজশাহীতে ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে নিম্ন আয়ের মানুষের ভিড়

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫৫০ ভিউ টাইম

রাজশাহী প্রতিনিধি: দেশের উত্তরের জেলা রাজশাহীতে বেড়েই চলেছে শীতের প্রকোপ। শৈত্যপ্রবাহের দাপটে প্রায় নাজেহাল হয়ে পড়েছে জন জীবন। আর এই শীতে গরম থাকতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পুরনো গরম কাপড়ের দোকান গুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষদের ভিড় দেখা গেছে।

ফুটপাতের পুরনো কাপড়ের দোকানে কথা হয় ক্রেতা
দূরজয়ের সঙ্গে। তিনি ভোরের সকালকে জানান, কয়েক দিন ধরে ঠাণ্ডা অনেকটাই বেড়ে গেছে। শীতের নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য না থাকায় ছেলে-মেয়ের জন্য পুরনো কাপড়ের দোকানে এসেছি।

নগরী ঘুরে দেখা গেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেট, তালাইমারি, আলুপট্টি, কুমারপাড়া, সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট, মনিচত্বর, রাজশাহী কলেজ গেট, গণকপাড়া, লক্ষ্মীপুর, রেলগেট, কোর্ট স্টেশন ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের সড়কের দু’পাশের ফুটপাতে গড়ে উঠেছে গরম কাপড়ের দোকান।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস দেশে। ডিসেম্বরের শেষে রাজশাহী অঞ্চলে অন্তত একটি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বইতে পারে।

আগামী জানুয়ারিতে অন্তত তিনটি মৃদু অথবা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যার মধ্যে দুটিই রূপ নিতে পারে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে।

একই দিন দুপুর ১২টায় রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৭ এবং বিকেল ৩টায় সর্বচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা।

এদিকে, শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই এ জেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি। কনকনে শীতের সঙ্গে হিমালয় কাছে হওয়ায় হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে গেছে।

ফলে চরম দুর্ভোগের কবলে পড়েছে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি জেলার ছিন্নমূল আর খেটে খাওয়া মানুষ। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে তাদের। এদিকে ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুসহ বয়স্করা।

চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্যোগে যে পরিমাণ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মানুষ।
কে/এম

দয়াকরে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরী আরো খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

Developed By VorerSokal.Com
newspapar2580417888