শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুপচাঁচিয়ায় ভাগ্নিকে ধ র্ষণের অ ভিযোগে খালু গ্রে ফতার উপজেলা নির্বাচন ২০২৪ নোয়াখালী,বেগমগঞ্জ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও শহীদ কামারুজ্জামানের সমাধীতে আরসিআরইউ’র শ্রদ্ধা বগুড়ার সেরা ফটোগ্রাফার হিসেবে আইফোন জিতলেন আরিফ শেখ দুপচাঁচিয়ায় জোহাল মাটাইয়ে ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থীদের ভাবনায় গৌরবদীপ্ত বিজয় দিবস বর্ণাঢ্য আয়োজনে বগুড়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন ফাঁপোর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মেহেদী হাসান বগুড়ায় টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের ক্যান্সার সেন্টার পরিদর্শন দুপচাঁচিয়ায় বিউটি পার্লারে অভিযান জরিমানা

ঠাকুরগাঁওয়ে জালনোট ব্যবসায়ীরা ঈদ বাজারে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ।

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০
  • ২৮৫ ভিউ টাইম
মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,ঠাকুরগাঁও জেলায় জাল টাকার একটি চক্র আবারও ঈদ বাজারকে টার্গেট করে নতুন করে মাঠে নেমেছে । ঈদ সহ যে কোনো উৎসবে সাধারণ মানুষের নতুন টাকার প্রতি আগ্রহ বেশি থাকে। চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংক থেকে নতুন টাকা না পাওয়ায় জাল টাকার কারবারীরা এ সুযোগকে কাজে লাগায়। ফলে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ জনগণ বিশেষ করে বেচাকেনায় ব্যস্ত দোকানীরা। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রভাবশালীরা জাল টাকা ব্যবসার মূলহোতা। বিভিন্ন কৌশলে জালনোট চক্রটি সাধারণ জনগণ সহ তাদের সদস্যদের মাধ্যমে হাটবাজার, পাইকারি দোকান ও খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এদিকে জাল চক্রের সঙ্গে সুন্দরী রমনীরাও জড়িত বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা শহরের বিভিন্ন মাকের্টের ও বাজারে দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা। যে দোকানে ভিড় সে দোকানেই হানা দেয় জালনোট চক্রের সদস্যরা। দশ থেকে পনেরো হাজার টাকার মালামাল ক্রয় করে অর্ধেক আসল আর বাকিটা জাল টাকা দিয়ে মালামাল ক্রয় করে সটকে পড়ে তারা। জাল সিন্ডিকেটের প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য নিয়ে বিভিন্ন কায়দায় তারা জাল টাকাগুলো ছড়িয়ে এর বিনিময়ে কাপড়, কসমেটিক, জুতা, স্বর্ণালঙ্কার, খাদ্যসামগ্রী ক্রয় করে বিক্রেতার হাতে কৌশলে ধরিয়ে দিচ্ছে নতুন জাল নোট ।
 নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাল টাকার সঙ্গে জড়িত এক ব্যবসায়ী জানান, বিভিন্ন দিক ম্যানেজ করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জাল টাকা অবাধে বিক্রি হচ্ছে। ৫শ টাকার জালনোট কেনা হয় ১শ টাকায়, ১হাজার টাকার জালনোট ৩শ থেকে ৪শ টাকায়, ১শ টাকার জালনোট ২০ থেকে ৩০ টাকায় ও ৫০ টাকার জালনোট ১০ টাকায় কেনা হয়। এছাড়াও ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার বাংলাদশ-ভারত সীমান্তবর্তী পয়েন্টে বিজিবির টহল কম থাকলে সেদিক দিয়ে জাল টাকার চালান আসে। তিনি আরও জানান, জালনোট বিক্রেতার চক্রটি এবং এর সদস্যরা দিনের বেলা থেকে রাতের বেলায় সক্রিয় থাকে বেশি। রাতের অন্ধকারে ও বৈদ্যুতিক বাতির কারণে অনেক সময় জালনোটের নিরাপত্তা সুতা, বাংলাদেশ ব্যাংকের লোগো ও জলছাপ বোঝা যায় না। তাই কোনটি নকল আর কোনটি আসল না বুঝেই ব্যবসায়ীরা জাল টাকা রাখছেন। জাল টাকাগুলো এমনভাবে ছাপানো যে অনেক সময় আসল টাকাকেই জাল মনে হয়। কাপড় ব্যবসায়ি মো. তোজাম্মেল হক জানান, সারা দিনের বেচাবিক্রি শেষে টাকাগুলো যখন ব্যাংকে জমা দিতে গিয়ে সন্ধান পাই জাল নোটের, তখন ভীষণ আফসোস হয় আর লোকশানের কথা মাথায় ঘোরে। জাল নোটের ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। ঠাকুরগাঁও জেলার সোনালী, মার্কেন্টাইল, এমটিবি, অগ্রণীসহ আরও কয়েকটি ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তারা জানান, জাল টাকা চক্রের খপ্পরে পড়ে নিরীহ, সাধারণ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহবান জানান ব্যাংক কর্মকর্তারা। ঠাকুরগাঁও সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) তানভীরুল ইসলাম জানান, জাল টাকার নোট বিক্রি বন্ধে অনেক আগে থেকেই জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বেচাকেনার স্থানগুলিতে আমাদের বিশেষ টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। জাল টাকার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়াকরে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরী আরো খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

Developed By VorerSokal.Com
newspapar2580417888