সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়া ঠনঠনিয়া বাসষ্ট্যান্ডে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ম্যাজিষ্টেটের জরিমানা : শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ বগুড়ায় বিপুল পরিমান সোয়াবিন তেল উদ্ধার বগুড়ায় ডিবির অভিযানে ২৫ কেজি গাঁজাসহ ৪ জন গ্রেফতার বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট নির্বাচনে লড়ছেন সামাদ ভূয়া সংবাদ ও মানহানির প্রতিবাদে অষ্টগ্রামে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়ায় সন্ত্রাসী নীরবকে গ্রেফতার করেছে ডিবি বগুড়ায় ঈদের দিনে ভাতিজার হাতে চাচা খুন : গ্রেফতার ৫ অষ্টগ্রামে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফিং বগুড়ার চাঞ্চল্যকর সিহাব হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার বগুড়ায় চোরাই মটরসাইকেল সহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি

করোনায় সবচেয়ে ক্ষতি ফুসফুসে, ধূমপান ত্যাগ করুন ৫ অব্যর্থ ঘরোয়া উপায়ে

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৪৮৭ ভিউ টাইম

নিউজ ডেস্ক: গোটা বিশ্বে ধূমপায়ীদের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আর ধূমপানের এই নেশা ছাড়তে চেয়েও বার বার ব্যর্থতার মুখ দেখতে হয়েছে অসংখ্য মানুষকে। ধূমপান ছাড়ার পর ছ’মাস, এক বছর বা বছর দুই তিনেক কাটানোর পরও ফের ধূমপানের আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছেন অনেকে।

সম্প্রতি কয়েকটি সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে যে, বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ধূমপায়াদের সংখ্যাই বেশি। করোনা আতঙ্কের আবহে সুরক্ষিত থাকতে তাই ধূমপানের অভ্যাস কাটানো অত্যন্ত জরুরি।

বাজার চলতি নেশা ছাড়ানোর পদ্ধতিগুলির বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কার্যকরী হয় না। কিন্তু এমন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে যা ধূমপানের নেশা পাকাপাকি ভাবে ছাড়াতে খুবই কার্যকরী। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী ঘরোয়া উপায়ে ধূমপানের নেশা থেকে মুক্তিলাভ সম্ভব।

মধু: মধুর বেশ কিছু ভিটামিন, উত্সেচক এবং প্রোটিন শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দেওয়ার পাশাপাশি সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণ মধু সেবনের মাধ্যমে ধূমপান ছাড়তে কোনও অসুবিধাই হয় না।

আদা: ধূমপানের নেশা ছাড়াতে চাইলে আদার ব্যবহার করা যেতে পারে। আদা চা বা কাঁচা আদা নিয়মিত খেলে ধীরে ধীরে ধূমপানের ইচ্ছে কমে যায়। ধূমপানের ইচ্ছে হলেই যদি এক টুকরো কাঁচা আদা মুখে দেওয়া যায় তাহলে ধূমপানের ইচ্ছা প্রশমিত হবে অনেকটাই।

মূলা: ১ গ্লাস মূলার রসের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে দিনে দু’বার করে নিয়মিত খেলে ধূমপানের ইচ্ছা একেবারে কমে যায়। শুধু ধূমপানের অভ্যাসই নয়, যে কোনও ধরনের নেশামুক্তির ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা মূলার উপরই ভরসা রাখেন।

মরিচের গুঁড়া: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নানাভাবে যদি নিয়মিত মরিচেরে গুড়া খাওয়া যায়, তাহলে ফুসফুসের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ধূমপান করার ইচ্ছাও কমতে থাকে। এক গ্লাস পানিতে অল্প পরিমাণ (এক চিমটি) মরিচের গুঁড়া ফেলে সেই পানি পান করা যায়, সেক্ষেত্রে দারুন উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আঙুরের রস: ধূমপানের ফলে শরীরের ভিতরে নিকোটিনের মাধ্যমে জমতে থাকা টক্সিন বেরিয়ে গেলেই ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, ধূমপানের ইচ্ছাও কমতে শুরু করে। আর আঙুরের রস ফুসফুসকে টক্সিন-মুক্ত করতে সাহায্য করে।

এই পদ্ধতিগুলি জানার পরও একটা কথা মাথায় রাখতে হবে। যেকোনো নেশা ছাড়ার জন্য চাই মনোবল এবং ধৈর্য। মনের জোরে ধৈর্য ধরে এই পদ্ধতিগুলির যেকোনো একটা মেনে চলতে পারলেই সুফল মিলবেই।

জিনিউজ

দয়াকরে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরী আরো খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

Developed By VorerSokal.Com
newspapar2580417888