সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাবতলীতে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। কাহালু পাইকড় ইউপি চেয়ারম্যান মিটু চৌধুরীর মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত । গাবতলীতে প্রতিপক্ষের মারপিটে গুরুতর আহত-৪ বগুড়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। সারাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার প্রতিবাদে বগুড়ায় মানববন্ধন জমি নিয়ে বিরোধ বগুড়ায় ছুরিকাঘাতে ০১ জন নিহত আহত ৪ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। গাবতলী উপজেলা ছাত্রদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত পলাশ সভাপতি রাঙ্গা সাঃ সম্পাদক বগুড়া সদর উপজেলায় সার্বজনীন দুর্গামন্দিরে লক্ষ্মী প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা, বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার সাবগ্রাম ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। শিবগঞ্জের বিহারে নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার অভিযোগ

পরীক্ষা ছাড়াই সার্টিফিকেট পাচ্ছে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৯৬ ভিউ টাইম

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এ বছর পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর কারণে আগামী ডিসেম্বরে গ্রেড বা জিপিএ নম্বর ছাড়া সব পরীক্ষার্থীর জন্য পাসের সার্টিফিকেট বিতরণের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে । প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের পাসের সার্টিফিকেট দেয়া হবে। তবে সেসব সার্টিফিকেটে কোনো জিপিএ বা গ্রেড পয়েন্ট উল্লেখ থাকবে না। সার্টিফিকেটে শুধু ‘উত্তীর্ণ’ লেখা থাকবে। সেটি নিয়েই শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন সোমবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, এ বিষয়ে আগেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যেহেতু প্রাথমিক সমাপনী ও পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষা হচ্ছে না সেহেতু তাদের ষষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীত করার বিষয়ে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো প্রস্তাবে মন্ত্রণালয় বলেছে– ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকায় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৭১টি কর্মদিবস নষ্ট হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের ৪০৬ বিষয়ভিত্তিক পাঠদান ক্ষতিগ্রস্ত। ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত সিলেবাসের মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পড়ানো সম্ভব হয়েছে। পাঠ্যবইয়ের অবশিষ্ট অংশ শেষ করতে কমপক্ষে ৫০ কর্মদিবস দরকার। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে পাঠদান কার্যক্রম চালানো সম্ভব হলেও ৫০ কর্মদিবস পাওয়া যাবে না।

এতে আরও বলা হয়, করোনাভাইরাসের বিদ্যমান প্রাদুর্ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি। খুলে দেয়া হলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে নাও পাঠাতে পারেন। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর ভাইরাস পরিস্থিতিতে পুনরায় বন্ধ করে দিতে হয়েছে। অন্যদিকে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর টেলিভিশনে পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সমীক্ষায় দেখা গেছে, মাত্র ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী টেলিভিশন পাঠদানের সুযোগটি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে। সম্প্রতি বেতারে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে ৯৭ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাঠদানের আওতায় আসতে পারে। এ ছাড়া ৭৬ শতাংশ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে লেখাপড়ার বিষয়ে কথা বলতে পেরেছে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষা বাতিলে গত ১৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়। এ নিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের উপস্থিতিতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে পরীক্ষা না নেয়ার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। এর ভিত্তিতে একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হলে তাতে সম্মতি দেয়া হয়। পরে পরীক্ষা না নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

দয়াকরে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরী আরো খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

Developed By VorerSokal.Com
newspapar2580417888