মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুপচাঁচিয়ায় ভাগ্নিকে ধ র্ষণের অ ভিযোগে খালু গ্রে ফতার উপজেলা নির্বাচন ২০২৪ নোয়াখালী,বেগমগঞ্জ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও শহীদ কামারুজ্জামানের সমাধীতে আরসিআরইউ’র শ্রদ্ধা বগুড়ার সেরা ফটোগ্রাফার হিসেবে আইফোন জিতলেন আরিফ শেখ দুপচাঁচিয়ায় জোহাল মাটাইয়ে ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থীদের ভাবনায় গৌরবদীপ্ত বিজয় দিবস বর্ণাঢ্য আয়োজনে বগুড়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন ফাঁপোর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মেহেদী হাসান বগুড়ায় টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের ক্যান্সার সেন্টার পরিদর্শন দুপচাঁচিয়ায় বিউটি পার্লারে অভিযান জরিমানা

ঠাকুরগাঁয়ে বাদামের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ছোঁয়া

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ জুন, ২০২০
  • ৩০৪ ভিউ টাইম
মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,সর্বউত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও বিভিন্ন উপজেলায় এবার বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলনে ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছে তারা। গত মৌসুমে বাদামের ভালো দাম পাওয়ায় চাষিরা বাদাম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
সারা দেশে যেখানে ধানের দাম নিয়ে চলছে কৃষকদের হাহাকার তখন ঠাকুরগাঁও চাষিরা বাদাম নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন অন্যান্যবারের তুলনায় এবার কয়েকগুণ বেশি বাদামের আবাদ হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য আবাদের তুলনায় খরচ কম এবং লাভ বেশি হওয়ার কারণে বাদামের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন চাষিরা। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলার সব উপজেলায়  কম বেশি বাদামের আবাদ হলেও গড়েয়া , শুখানপুকুড়ি,ভুল্লী ,বালিয়া , ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে। চাষিরা জানিয়েছেন প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ৬ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে তারা প্রতি বিঘায় ১২ থেকে ১৫ মণ বাদাম ঘরে তুলবেন। চাষিরা গত বছর প্রতি মণ বাদাম ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। এবারও সেই দাম পেলে প্রতি বিঘায় প্রায় ৩০ হাজার টাকা পাবেন তারা। খরচ বাদ দিলে প্রতি বিঘায় লাভ হবে প্রায় ২৪ হাজার টাকা। গতবার থেকে দাম কম হলেও লোকসান হচ্ছে না কৃষকের। তাই অন্য আবাদের চেয়ে বাদামের দিকেই ঝুঁকছেন চাষিরা। এ দিকে বাদামের ব্যবসা করে ভালো লাভ করছেন স্থানীয় বাদাম ব্যবসায়ীরাও। তারা বলছেন ঠাকুরগাঁও বাদামের মান ভালো। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানির পাশাপাশি বিদেশেও এর চাহিদা বাড়ছে। এ অঞ্চলে রবি ও খরিফ এই দুই মৌসুমে বাদাম চাষ হয়। বাদাম চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে এই অঞ্চলের চাষিদের। এ দিকে চিনাবাদামকে কেন্দ্র করে আমাদের ঠাকুরগাঁও পাসের জেলায় দেবীগঞ্জে গড়ে উঠছে ক্ষুদ্র শিল্প-কারখানা। ইতোমধ্যে প্রায় অর্ধশতাধিক কারখানায় বাদাম প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে। এসব কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন প্রায় ৫ শতাধিক শ্রমিক। বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বড়গাঁ গ্রামের বাদাম চাষি তবিবর রহমান বলেন, বাদাম চাষে প্রতি বিঘা জমিতে ৬ হাজার টাকা খরচ করে এবং অল্প পরিশ্রমে ভালো আয় করা যায়। প্রতিমণ বাদাম ১৮শ থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়। দেবীগঞ্জ উপজেলার দণ্ডপাল ইউনিয়নের ঢোলার হাট সেনপাড়া গ্রামের বাদাম চাষি নরেশ চন্দ্র বলেন, বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় এবারও বাদামের চাষ করেছি। আশা করি ভালো দাম পাব। এছাড়াও যদি সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ ও ঋণ সুবিধা দিলে জেলার কৃষকরা বাদাম চাষে আরও বেশি ঝুঁকবে।

দয়াকরে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরী আরো খবর...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

Developed By VorerSokal.Com
newspapar2580417888